Author Topic: পিসি র‍্যাম কি ? এর কাজ কি ? একটি পিসিতে কতটা রR  (Read 776 times)

Ashikul Islam

  • Administrator
  • Silver Member
  • *****
  • Posts: 1012
  • মানুষ মরে গেলে পচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়,
    • http://imashik.com
বন্ধুরা আশাকরি সবাই খুব ভাল আছেন আপনাদের দোয়াই আমিও খুব ভাল আছি । যাই হোক আজকে আমি আপনাদের সাথে র‍্যাম নিয়ে কিছু টিপস দেবো আর আগে পিসি হেল্পলাইন বিডি কে একটি প্রশ্ন করার ছিল আমি জনে অ্যাডমিনরা প্রতিটি পোস্ট দেখে । আমি গত ২ তারিখ মনে হয় একটি পোস্ট করেছি  Wise Auto Shutdown নিয়ে কিন্তু ২ দিন পর দেখি মানে আজকে পোস্টটি ডিলিট হয়েছে কারন টা কি , আমি জানি এটা আপনাদের না জানানোর অধিকার আছে তাও যদি সফটওয়্যার কিংবা পোস্টটি কোন ভুল থাকলে আগেই ক্যান ডিলিট করা হয়নি ২ দিন পরে কেন ? আশাকরি অ্যাডমিন এর কাছে থেকে উত্তর পাব । যাই হোক এবার আজকের পোস্টটিতে ফিরে আসি ।আজকে আমি আপনাদের পিসি র‍্যাম সম্পর্কে কিছু টিপস দেবো । যেমন র‍্যাম কি ? কি কাজে ব্যবহার হয় ? কেন হয় , বিভিন্ন র‍্যাম সম্পর্কে বিস্তারিত , এবং একটি পিসি চালাতে কত র‍্যাম দরকার এই সব । আশাকরি আমার নতুন বন্ধুদের কাজে আসবে । তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক ।

 

 



 

 

র‍্যাম কি ?

র‍্যাম একটি সংক্ষিপ্ত নাম এর সম্পূর্ণ নাম হল ( Random Acces  Memory ) । মাদার বোর্ড এর সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে স্মৃতিতে গঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সেই স্মৃতিকে র‍্যাম স্মৃতি বা সংক্ষেপে র‍্যাম বলে । এই স্মৃতি একটি অস্থায়ী স্মৃতি । পিসি তে যতখন বিদ্যুৎ সরবরাহ চালিত থাকে ততক্ষণ র‍্যামে তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে । বিদ্যুৎ চলে যাবার সঙ্গে সঙ্গে র‍্যাম তার সব তথ্য মুছে ফেলে , তাই র‍্যামকে অস্থায়ী স্মৃতি হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে । সাধারণত তথ্যসমূহ গঠন ও পরিবর্তনে র‍্যাম ব্যবহৃত হয়ে থাকে । র‍্যাম স্মৃতিতে তথ্য পড়া ও লেখা সব কাজেই সম্পাদন করা যায় বলে একে লিখুন/পঠন স্মৃতি বলা হয় । এক জন কম্পিউটার ব্যবহারকারি র‍্যাম বা গঠন/লিখন স্মৃতিতে তথ্য সংরক্ষণ ও রক্ষিত তথ্য মুছে পুনরাই নতুন তথ্য রাখতে পারে ।

অনেক র‍্যাম স্মৃতিতে আলাদা আলাদা তথ্য ইনপুট ও তথ্য আউটপুট লাইনের বদলে সাধারন Data Lines ব্যবহার করা হয়ে থাকে । লিখনের সময় ডেটালাইন দিয়ে তথ্য স্মৃতিতে পাঠন হয় এবং গঠনের সময় একই লাইন দিয়ে তথ্য স্মৃতি হতে পঠন করা হয় না , এসব ক্ষেত্রে তথ্যরেখা র‍্যাম স্মৃতি ব্যবহার করা হয় ।

 

 

» বিভিন্ন ধরনের র‍্যাম সম্পর্কে বিস্তারিত  ঃ

সাধারণত কম্পিউটারে যেসকল র‍্যাম এর বিপুন ব্যবহার হয়ে থাকে নিচে সেগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হল ।

1// SRAM :

 



 

প্রতিটি মেমোরি সেলের জন্য Static Random Access Memory বা SRAM মাল্টি  ট্রানজিস্টার ব্যবহার হয়ে থাকে । এদের সংখ্যা সাধারণত চারটি থেকে ছয়টি হয়ে থাকে । তবে প্রতিটি সেলে ক্যাপাসিটর থাকে না । প্রাথমিকভাবে এটি ক্যাশের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে ।

2// DRAM :

 



 

Dynamic random access memory কে পুনঃ পুনঃ রিফ্রেশ হতে হয় এবং এটি এক জোড়া ট্রানজিস্টরসহ মেমোরি সেল বহন করে ।  ট্রানজিস্টরটিকে কলামের ভেতর প্রতিবিটে একটিভেট করার জন্য dram  যথাযথ কলামের মাধ্যমে একটি চার্জ প্রেরণ করা হয়ে থাকে ।

3// FPM DRAM :

 



 

ফাস্ট পেইজ ডায়নামিক র‍্যান্ডাম অ্যাকসেস মেমোরি বা এফপিএম ডির‍্যাম ( Fast Dynamic Random Access  Memory ) ছিল প্রকৃতি ধরন । কলাম এবং সারির দ্বারা একটি ডেটা বিটকে স্থাপনের পুরো প্রক্রিয়া মাধ্যমে এটি অপেক্ষা করে এবং তখন পরিবর্তী বিট এটি শুরু হবার পূর্বে বিটটিকে পড়তে থাকে । L2 ক্যাশ এর সব চেয়ে বেশি স্থান পরিবর্তন হার হল প্রায় ১৭৬ MBps ।

4// EDO DRAM :

 



 

Extended Data – Out Dynamic Random Access Memory  এক্সটেন্ডেড ডেটা – আউট র‍্যান্ডাম অ্যাকসেস মেমোরি বা এফপিএম ডির‍্যাম পরবর্তী বিট শুরু করার আগে প্রথম বিটের সকল প্রসেসিংয়ের জন্য অপেক্ষা করে না । প্রথম বিটটি স্থাপন হবার পরপরি EDO DRAM পরিবর্তী বিটকে খুজতে থাকে । এটি FPM DRAM এর চাইতে ৫ শতাংশ বেশি দ্রুত । L2 ক্যাশ এর সবচেয়ে স্থানান্তর হার হল ২৬৪ MBps  ।

5// SDRAM :

 



 

Synchronous Dynamic Access Memory  এর ক্ষেত্রে ব্রাস্ট মোড কোনসেপ্টর প্রয়োগ ঘটানো হয়েছে । যার ফলে সিস্টেমের পারফরমেন্স আরও বেড়ে গেছে । EDO DRAM এর চাইতে SDRAM ৫ শতাংশ বেশি দ্রুত গতির । আজকের দিনের ডেস্কটপ কম্পিউটার গুলোতে এটি খুব বেশি ব্যবহার হছে । L2 ক্যাশ এর সর্বোচ্চ স্থানন্তর হার হল প্রায় ৫২৮ MBps  ।

 

6// DDR SDRAM  :

 



 

Double Data Rate Synchronous Dynamic RAM হল SDRAM  এর মতোই । কিন্তু এর থেকে উচ্চ ব্রান্ডউইডথ যার মানে হল খুব বেশি গতি । L2 ক্যাশ এর সর্বোচ্চ স্থানন্তর হার হল প্রায় ১,০৬৪ MBps ( DDR SDRAM 133 MHZ এর জন্য ) ।

7// Credit Card Memory  :

ক্রেডিট কার্ড মেমোরি হল একটি প্রপাইটারি সেলফ- কনটেইনন্ড DRAM মেমোরি মডিউল যা নোটবুক কম্পিউটারগুলোতে ব্যবহারের জন্য একটি বিশেষ স্লটে বসানো হয় ।

8// PCMCIA Memory Card :



 

নোটবুকগুলোর জন্য এটি আরেকটি সেফল-কনটেইনন্ড DRAM মেমোরি মডিউল । এই রকম কার্ড গুলো প্রপ্রাইটারি নয় এবং যেকোনো নোটবুক কম্পিউটারের সাথে যাদের সিস্টেম বাস মেমোরি কার্ডের কনফিগারেশনের সাথে মিলে তাতে কাজ করে ।

9// CMOSRAM :



CMOS RAM হল আপনার কম্পিউটার এবং আরও কিছু ডিভাইস দ্বারা ব্যবহারিত স্বল্প পরিমাণের মেমোরি যা কিনা হার্ড ডিস্ক সেটিংয়ের মতো বিষয় গুলোকে স্মরণ রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে – তার একটি টার্ম । মেমোরি কনটেন্ট গুলোকে বজায় রাখতে এই মেমোরি একটি ছোট ব্যাটারি ব্যবহার করে থাকে ।

10// VRAM :

 



 

VRAM অথবা VideoRAM নামের এই র‍্যামটি Multiport Dynamic Random Access Memory নামেও পরিচিত । এই র‍্যাম গুলো সাধারণত ভিডিও অ্যাডপ্টারে ব্যবহার করা হয়ে থাকে । ‘Multiport’ অংশটি এসেছে এজন্য যে সাধারনভাবে VRAM এর একটি বদলে দুটি স্বাধীন একসেস পোর্ট আছে যা কিনা সিপিইউ এবং গ্রাফিক্স প্রসেসরকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে র‍্যামকে অ্যাকসেস করার সুযোগ দিয়ে থাকে । VRAM টি গ্রাফিক্স কার্ডে থাকে এবং বিভিন্ন ধরনের পাওয়া যায় যাদের অনেকগুলিই প্রপ্রাইটারি । ডিসপ্লের কালার ডেপথ এর ক্ষেত্রে VRAM এর পরিমান একটি প্রভাব উপাদান । এছাড়াও গ্রাফিক্স – সঠিক তথ্য ধারনের জন্যও VRAM ব্যবহার হয়ে থাকে । যেমন – থ্রিডি জিওমেট্রিক ডেটা এবং টেক্সচার ম্যাপ । তাই আজকাল অনেক গ্রাফিক্স কার্ডই VRAM এর বদলে SGRAM ব্যবহার করা হয়ে থাকে । এর পারফরমেন্স VRAM এর প্রায় কাছাকাছি কিন্তু SGRAM এর দাম খুব কম ।

 

» আপনার পিসিতে কতটা র‍্যাম দরকার ?

কম্পিউটার পারফরমেন্সের ক্ষেত্রে প্রেসেসরের পরেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পূর্ণ ভুমিকা হল র‍্যামের । আপনার পিসিতে কি ধরনের র‍্যাম এর দরকার এটা সম্পূর্ণ আপনার কাজের উপর নির্ভর করবে । আপনি যদি গ্রাফিক্স বা গেম এর কাজ করেন তাহলে আপনার পিসিতে খুব বেশি র‍্যাম এর দরকার হবে । আপনার সিস্টেমটি যদি ধীর সাড়া প্রদান করে এবং হার্ড ডিস্ককে সব সময়ই অ্যাকসেস করে তাহলে আপনাকে আরও বেশি পরিমান র‍্যাম লাগাতে হবে । বর্তমান সময়ে সফটওয়্যারগুলি এতটাই শক্তি শালি হয়েছে যে সফটওয়্যার গুলিকে চালানর জন্য পিসি তে বিশাল পরিমান র‍্যাম এর দরকার পড়ছে । কোন কোন সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম গুলো ২ গিগাবাইটের র‍্যামে কাজেইকরেনা । উইন্ডোজ ৭/৮ মতো উন্নত প্রযুক্তির OS গুলিতে নানা ধরনের সফটওয়্যার চালাতে এবং আপনার কাজের গতির জন্য ২ গিগাবাইট এর বেশি র‍্যাম এর এর ব্যবহার করা দরকার । অ্যাডোবি ডিজাইন , বিভিন্ন ভিডিও এডিট ব্রান্ড এর সফটওয়্যার চালাতে এখুন অনেক বেশি র‍্যাম এর দরকার হয় । এছাড়াও টুডি , থ্রিডি অ্যানিমেশন , রেন্ডারিং , মাল্টিমিডিয়া বিভিন্ন কাজ গুলো করার জন্য প্রচুর র‍্যাম এর দরকার পড়ে । তাই যক্ষুনি একটি কম্পিউটার কিনুন ভবিষ্যৎ এর কথা মাতাই রেখে কিনবেন আর যক্ষুনি একটি র‍্যাম কিনবেন তার আগে ঠিক করে নিবেন আপনি কি কি ধরনের কাজ করবেন আপনার পিসিতে । তবে বর্তমান সময়ে ২ গিবির বেশি র‍্যাম বাবহারে করা উচিত ।

 

▒▒ বন্ধুরা আমিও আপনাদের মতো নতুন তাই আমার লিখার মধ্যে জানার মধ্যে অনেক ভুল ত্রুটি থাকতেই পারে যদি এমন কোন ভুল ত্রুটি থাকে তাহলে আমাকে ধরিয়ে দিবেন । আর পিসি হেল্পলাইন বিডির অ্যাডমিন দের কেউ বলবো পোস্ট ডিলিট করার আগে প্লিজ প্লিজ ভুল ধিরিয়ে দিবান তাহলে আমাদের বুজতে সুবিধা হবে । কারন পোস্ট গুলো খুব সময় কষ্ট করে লিখিত । যাই হোক আমার এই পোস্টটি আপনাদের ভাল লাগলে একটি কমেন্ট শেয়ার করতে ভুলবেন না কিন্তু ।

 

▒▒ তাহলে আজকের মতো এই পর্যন্ত আবারও নতুন কিছু নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি আপনাদের সামনে হাজির হব । তাহলে থাকবেন সুস্থ থাকবেন । আল্লাহ হাফেজ ।
Ashikul Islam
Graphics Designer
oBak Graphics Design ltd.
Study now
Diploma in Civil Engineering at
Bangladesh Skill Development Institute(BSDI).
Seven Semester.
Contact: 01734-666 667
Web: Information About me